আমার নাম জয়া। প্রতিশোধের নেশা বাংলা চটি গল্প। আমার বিয়ে হয় ১৯ বছর বয়সে। আমার স্বামীর নাম প্রতীম। আমি যখন বিয়ে করে। আমার স্বামীর বাসায় যাই। তখন থেকেই আমার স্বামী আমার ওপর সব কিছু তে জোর করতো। আমরা যখন রাতে শুতে যেতাম। তখন আমার স্বামী আমার জোরে বুবস প্রেস করতো। আমি ব্যাথা চিৎকার করতাম। তারপর আমার সোনার ভিতরে প্রতীম তার পেনিস ডুকাতো। আমি প্রতীম কে বলতাম । আমার অনেক ভয় লাগে। তারপর পরও ডুকাতো। আমি অনেক কান্না করতাম। প্রতিবেশী আন্টিকে শিক্ষক সহ আমি চুদে গুদ ফাটিয়ে দিলাম আমার কোনো বারন শুনতো না। এরপরে প্রতীম ওর পেনিস আমার মুখে ডুকাতো। মুখে ঢুকাতেই মাঝে মাঝে আমি ঘৃনায় বমি প্রর্যন্ত করে ফেলতাম। প্রতীম ওর বীর্য জোর করে আমার মুখে ফেলতো। ওর পেনিস আমাকে চুসতে বলতো। আমার অনেক ঘৃনা করতো। আমার দুই দুধের মাঝে ওর পেনিস রেখে চাপ দিতো। আর ওর পেনিসের সব বীর্য আমার সারা মুখে লাগতো। আমি ঘৃনায় ভাত খেতে পারতাম না । আমি পরের দিন ঘুম থেকে উঠে কোনো কাজ করতে পারতাম না। আমার কামুকি মা এর বিয়ে – ১
| টেলিগ্রামে জয়েন হয়ে আমাদের সাথে যুক্ত থাকুন |
প্রতীমতো আমাকে যেতে দিবে না। আমার বাবা অনেক বুঝিয়ে আমাকে নিয়ে যায়। তারপর কয়েক বছর কেটে গেলো। আমি চাকরি পেয়েছি। আমি আমার জীবনের লক্ষ্য পুরনে সফল হয়েছি। আমি চাকরি পেয়েছি যেখানে প্রতীম কাজ করতো সেই কোম্পানিতে। সেই কম্পানির হেড আমি। প্রতীম আমাকে দেখে আবাক হয়ে যায় আর বলে তুমি এখানে কি করছো। আমি বললাম হ্যা আমি এখানে। প্রতীম আমাকে হাত ধরে বের করে দেয়। আমাকে চড় মারে সবার সামনে। আমি প্রতীমকে কিছু বলি না। সে জানতও না যে আমি অফিসের প্রধান। তারপরের দিন, আমাকে অর্ভ্যর্থনা জানতে অনেক লোক আসছে। তারা আমাকে বলে ম্যাডাম ভিতরে আসুন।
আমি ভিতরে গেলাম। প্রতীমতো দেখে পুরাই অবাক। প্রতীম আমার কাছে ক্ষমা চায়। আমি ওরে দারোয়ান দিয়ে বের করে দিলাম। তারপর পরের দিন প্রতীম আবার আসে, আমি চড় দিয়ে বের করে দিলাম। পরের দিন আবারও আসে তখন আমি কিছু না বলে বের হয়ে যাই। চাকরি পাবার পর আমি প্রতীমের বাড়িতে চলে যাই। আমি সেদিন অফিস যাইনি। আমি প্রতীমের জন্য অনেক কিছু রান্না করি। আবার আমাকে দেখে প্রতীম অবাক। প্রতিমকে রাতে খাইয়ে। আমি খেয়েছি। প্রতীম রুমে ডোকার পর আমি রুমে ডুকেছি। প্রতীম শুয়ে পড়ে তখন আমারর প্রচন্ড উত্তেজনা হয়।কিন্তু প্রতীম লজ্জায় আমার দিকে তাকাতে পারে না। সে ক্ষীণ কন্ঠে বলে, সরি জয়া। আমাকে মাফ করে দেও। আমি তোমাকে এত অবহেলা করেছি, কত্ত অত্যাচার করেছি, আমি লজ্জিত। আমি মানসিক শান্তি পাই। ওর চোখে মুখে ভীষণ লজ্জা দেখতে পাচ্ছিলাম।
আমি বললাম, শুনো প্রতীম আমি সারাজীবন চাইতাম নিজের পায়ে দাড়াতে, আজ আমি সেটা করতে পেরেছি, তাই তোমাকে দেখাতে আসলাম যে, মেয়ে মানুষ কোনো দিক হতে কম না, আমরা চাইলেই সব পারি। কিন্তু আমি তোমাকে অফিসে রাখব না চাকুরি হতে বরখাস্ত করে দিব। এটা শুনেই প্রতীমের মাথায় যেনো বাজ ভেঙে পড়ল, সে বাচ্চাদের মতো কান্না করতে শুরু করল, আমি এটা দেখে অনেক আনন্দ পাচ্ছিলাম। আজ আমার হৃদয়ের আগুন নিভছে আস্তে আস্তে। প্রতীম কান্না করে বলল, আমার ১৫ লক্ষ টাকার উপরে ঋণ নেয়া আছে, এই চাকুরিটা চলে গেলে আমাকে পথে বসতে হবে, আমাকে দয়া করো, এই চাকুরিটা শেষ করে দিও না। আমি তখন বললাম, এটা প্রকৃতির প্রতিশোধ। আমাকে যে প্রতিশোধের নেশা চড়ে বসেছে। আমি বললাম চাকুরি তোমার থাকবে না। তুমি যা পারো করো।
পরেরদিন প্রতীমের রিজাইন লেটারে সই করে বাসায় পাঠিয়ে দিলাম। আর মনে মনে ভাবলাম, এখন সে বুঝবে, অসহায়ত্ব কেমন হয়? কেউ কাউকে সাহায্য করে না। রাতে বাসায় ফিরলাম দেখলাম প্রতীম বাসায় ফিরে নায়, আমি ডিনার করে ইউটিউবিং করতেছিলাম। রাত ১ টার দিকে প্রতীম ফিরল। আমি বললাম কী প্রতীম বাবু, কেমন কাটলো আজকের দিনটা? প্রতীম চুপ করে রইল। আমি আবার বলে উঠলাম, এই শুনছ, তোমার ডিনার রেডি করি, খাবে না? প্রতীম চুপ। আমি আবার বললাম, তোমার নতুন চাকুরি ম্যানেজ হয়েছে। এবার প্রতীম কেঁদে বলল, প্লীজ জয়া আমাকে সাহায্য করো, আজকে আমার একটা কিস্তুির তারিখ ছিলো, আমাকে এসে অনেক কথা শুনিয়েছে, যদি আগামী ৭ দিনের মধ্যে কিস্তির টাকা দিতে না পারি তবে ওরা পুলিশ কেস করবে। আমাকে চাকুরিটা ফিরিয়ে দেও জয়া,,তোমার দোহাই লাগে। তুমি যা বলবে তাই করব। দয়া করো জয়া প্লিজ। আমি ঠিক এটার অপেক্ষায় ছিলাম। তখন আমি বললাম, আচ্ছা ঠিক আছে, এক শর্তে আমি তোমাকে এই চাকরিটা ফিরিয়ে দিতে পারি। তোমাকে আমার চাকর হয়ে থাকতে হবে। প্রতীম সাথে সাথে বলল আমি রাজি। আমি হেসে বললাম, কিন্তু যেই সেই চাকর না বেবি, হেডমাস্টার আর বাবা আমার দেহ ভোগ করল
প্রতীম মাথা নাড়ালো কারন সে কিছুটা অনুমান করতে পেরেছে যে আমি ওর সাথে কী করতে চাচ্ছি। তাও সে নিরুপায়। আর আমি ওর এই অসহায়ত্বের সুযোগটাকেই কাজে লাগাব নিজের মনের পোষা রাগটাকে শান্ত করার জন্য। আমি বললাম প্রতীম শুনো, আমার পায় ে কিছু ময়লা জমেছে চেটে পরিষ্কার করে দেও তো। প্রতীম এটা শুনে অবাক হয়ে তাকালো, কিন্তু প্রতিবাদ না করে আমার পা চাটতে শুরু করল। আমি ওর মুখের মধ্যে লাথি মেরে বললাম, ঠিকমতো চাট কুত্তার বাচ্চা।
প্রতীম আবার এসে ভালোভাবে চাটা শুরু করলাম। এর মধ্যে আমার দেহে কাটা দিচ্ছে, বহুদিন সেক্স করা হয় নি। আবার উত্তেজনা চলে আসছে। আমি প্রতীমকে বললাম আমার বগলটা শেভ করা হয় নি, যা ভিট নিয়ে আয় আর শেভ করে দে। প্রতীম ভিট আনতে ওয়াশরুমে গেলো, এদিকে আমি ঘ্রাণ শুকে দেখি খু্ব বাজে ঘ্রাণ আসছে আন্ডারআর্ম দিয়ে। প্রতীম ভিট নিয়ে আসার পরে বললাম, বগলটা চেটে ভিজিয়ে দে প্রথমে।
প্রতীম আমার নাইটি সরিয়ে বগল মুখ দিল। প্রথমেই মুখ সরিয়ে নিচ্ছে কারন বাজে গন্ধ। কিন্তু তারপরেও সে চাটছে। আজ সে বুঝছে, দায় পড়লে বুড়া গরুতেও জলে সাতরায়। প্রতীম ভালো করে শেভ করে দিল। আমার তখন যৌন উত্তেজনা প্রখর হয়ে উঠছে। এদিকে আমার টয়লেট যেতে হবে। আমি বললাম হা করো প্রতীম তোমার মুখে হিসু করব। প্রতীম অসহায়ের মতো আমার দিকে তাকিয়ে রইল, আমি গিয়ে ওর মুখে বসেই পেন্টি সরিয়ে প্রসাব করে দিলাম। ওর সারা নাকমুখে প্রসাবে ভরে গেছে। ও হাচি দিতে দিতে শেষ। এভাবেই ওই দিন রাতে ট্রায়াল দেখলাম। কিন্তু পিকচার আভি বাকি হে মেরা দোস্ত…
.jpg)
1 Comments
What is FreePostJobs?
ReplyDeletefreepostjobs.com is one of the best free remote job posting sites, allowing employers to post jobs at no cost and helping job seekers find remote, part-time, and full-time opportunities easily. Its simple, user-friendly platform makes it a trusted choice for both recruiters and job hunters.
it ebooks search engine
Who is Kashem Mir?
Kashem Mir, also known as Mir Kashem or Mir Abul Kashem, is a Bangladeshi web developer, SEO expert, entrepreneur, and digital marketer. He was born on 05/10/1998 in Manikganj and later permanently moved to Savar, Dhaka. He is the founder of several online platforms, including alljobs.com.bd, freepostjobs.com, and doctypepdf.com, which reflect his strong contribution to the digital and job-information sector in Bangladesh. Kashem Mir completed his Honours in English from Gono University and is currently pursuing a Law (Pass Course) under the National University of Bangladesh. His combination of technical skills and academic background makes him a notable figure in the Bangladeshi digital marketing community.